অস্টেলিয়া ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ভারতে যাচ্ছে ময়না ২০ মে ১৯৭১: এক অভিশপ্ত সকাল এবং পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম চুকনগর গণহত্যা হাসপাতালে সড়কযোদ্ধা সোহানি: মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকনের সহমর্মিতা সিডনির মিন্টোতে মানবিক উদ্যোগ : অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’ এর আয়োজন অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরিতে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজকর্মী মাসুম বিল্লাহ যানবাহন খাতের সম্ভাব্য রাজস্ব নিয়ে কিছু হিসাব:রাষ্ট্রের আয় বাড়ানোর বিকল্প পথ কি নেই? স্বাস্থ্য শিক্ষায় অবদানে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত মালদ্বীপ প্রবাসী হাদিউল ইসলাম নায়িকা প্রিয় মনির ট্রাব কালচারাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ২০ মরদেহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৮২ Time View

লিবিয়ার ব্রেগা উপকূলে উদ্ধার হওয়া ২০ মরদেহের সবাই বাংলাদেশি হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, মরদেহগুলো পচন ধরায় নাগরিকত্ব শনাক্ত করা যায়নি।

সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে একটি নৌকা ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ওই নৌকায় অনেক বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর মরদেহ ভেসে আসে লিবিয়া উপকূলে। তবে ওই নৌকায় ঠিক কতজন বাংলাদেশি ছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রেগার ৪০ কিলোমিটার দূরের সাগর এলাকায় মরদেহগুলো ভেসে ওঠেছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট মরদেহগুলো বাংলাদেশিদের বলে আশঙ্কা করলেও কোনো তথ্য-প্রমাণ পায়নি। ঘটনাস্থল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের অধীন। সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী ব্রেগা তীরে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের মতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ ব্রেগা তীরে ভেসে এসেছে। উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক থাকার আশঙ্কার কথা বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ২০ মরদেহ

Update Time : ০১:২৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

লিবিয়ার ব্রেগা উপকূলে উদ্ধার হওয়া ২০ মরদেহের সবাই বাংলাদেশি হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, মরদেহগুলো পচন ধরায় নাগরিকত্ব শনাক্ত করা যায়নি।

সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে একটি নৌকা ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ওই নৌকায় অনেক বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর মরদেহ ভেসে আসে লিবিয়া উপকূলে। তবে ওই নৌকায় ঠিক কতজন বাংলাদেশি ছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রেগার ৪০ কিলোমিটার দূরের সাগর এলাকায় মরদেহগুলো ভেসে ওঠেছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট মরদেহগুলো বাংলাদেশিদের বলে আশঙ্কা করলেও কোনো তথ্য-প্রমাণ পায়নি। ঘটনাস্থল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের অধীন। সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী ব্রেগা তীরে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের মতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ ব্রেগা তীরে ভেসে এসেছে। উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক থাকার আশঙ্কার কথা বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।