অস্টেলিয়া ০১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ভারতে যাচ্ছে ময়না ২০ মে ১৯৭১: এক অভিশপ্ত সকাল এবং পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম চুকনগর গণহত্যা হাসপাতালে সড়কযোদ্ধা সোহানি: মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকনের সহমর্মিতা সিডনির মিন্টোতে মানবিক উদ্যোগ : অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’ এর আয়োজন অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরিতে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজকর্মী মাসুম বিল্লাহ যানবাহন খাতের সম্ভাব্য রাজস্ব নিয়ে কিছু হিসাব:রাষ্ট্রের আয় বাড়ানোর বিকল্প পথ কি নেই? স্বাস্থ্য শিক্ষায় অবদানে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত মালদ্বীপ প্রবাসী হাদিউল ইসলাম নায়িকা প্রিয় মনির ট্রাব কালচারাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২১

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • ২৫৮ Time View

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তারা জানান, উদ্ধারকারীরা খারাপ আবহাওয়া এবং প্রবল স্রোতের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার পেকালোঙ্গান থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

সোমবার মধ্য জাভা প্রদেশের পেকালোঙ্গান শহরের কাছে একটি পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধস হয়, ফলে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং গাড়ি ও ঘরবাড়ি চাপা পড়ে যায়।

নিকটবর্তী শহর সেমারাংয়ের অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান বুদিওনো এএফপিকে বলেছেন, আজ সকালে আমরা ২১ জন নিহত ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছি এবং আরো পাঁচজনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কাসিম্পার গ্রামে স্থানীয় কর্মকর্তার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ এবং একটি ক্যাফেতে অনুসন্ধানের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আরো হতাহতরা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে আশ্রয় নেওয়ার সময় চাপা পড়ে থাকতে পারে।

বুদিওনো বলেন, ’আমরা ওই দুটি স্থান এবং কাছাকাছি নদীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’ স্রোতের কারণে হতাহতদের নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসার্নাসের মতে, ভূমিধসে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।

বুদিওনো বলেন, উদ্ধারকারীরা রাস্তা থেকে ঘন কাদা এবং ধ্বংসস্তপ পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় বর্ষাকালে সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের প্রবণতা বেশি থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ মৌসুমের পরেও ঘটছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝড়ের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা এবং শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়া দেখা দিয়েছে।

মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার ফলে কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যায়। মারাপি পর্বতের অগ্ন্যুৎপাত থেকে ছাই, বালি এবং নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২১

Update Time : ০১:১৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে ভূমিধসে বৃহস্পতিবার মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এখনও পাঁচজন নিখোঁজ রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তারা জানান, উদ্ধারকারীরা খারাপ আবহাওয়া এবং প্রবল স্রোতের বিরুদ্ধে লড়াই করে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইন্দোনেশিয়ার পেকালোঙ্গান থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

সোমবার মধ্য জাভা প্রদেশের পেকালোঙ্গান শহরের কাছে একটি পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে ভূমিধস হয়, ফলে, সেতু ভেঙে পড়ে এবং গাড়ি ও ঘরবাড়ি চাপা পড়ে যায়।

নিকটবর্তী শহর সেমারাংয়ের অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান বুদিওনো এএফপিকে বলেছেন, আজ সকালে আমরা ২১ জন নিহত ব্যক্তিকে খুঁজে পেয়েছি এবং আরো পাঁচজনের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কাসিম্পার গ্রামে স্থানীয় কর্মকর্তার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ এবং একটি ক্যাফেতে অনুসন্ধানের জন্য ভারী যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে আরো হতাহতরা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে আশ্রয় নেওয়ার সময় চাপা পড়ে থাকতে পারে।

বুদিওনো বলেন, ’আমরা ওই দুটি স্থান এবং কাছাকাছি নদীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’ স্রোতের কারণে হতাহতদের নদীতে ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা বাসার্নাসের মতে, ভূমিধসে কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়েছেন।

বুদিওনো বলেন, উদ্ধারকারীরা রাস্তা থেকে ঘন কাদা এবং ধ্বংসস্তপ পরিষ্কার করতে শুরু করেছেন।

ইন্দোনেশিয়ায় বর্ষাকালে সাধারণত নভেম্বর থেকে এপ্রিলের মধ্যে ভূমিধসের প্রবণতা বেশি থাকে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সৃষ্ট কিছু দুর্যোগ মৌসুমের পরেও ঘটছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝড়ের তীব্রতাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা এবং শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়া দেখা দিয়েছে।

মে মাসে, পশ্চিম সুমাত্রায় ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার ফলে কমপক্ষে ৬৭ জন মারা যায়। মারাপি পর্বতের অগ্ন্যুৎপাত থেকে ছাই, বালি এবং নুড়িপাথরের মিশ্রণ আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।