অস্টেলিয়া ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
‘ফিরে যাই সূর্য দীঘল বাড়ি’ শিরোনামে কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও অভিধান প্রণেতা আবু ইসহাককে স্মরণ করে আলোচনা সভা অস্ট্রেলিয়ার রিলায়েবল কলেজ অব নার্সিং-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সাংবাদিক মোহাম্মাদ আবদুল মতিন সিডনিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘NEXT25: A Muslim Youth Summit’: ব্যাপক সাড়া চ্যানেল আইয়ের ‘আমরাই বাংলাদেশ’ টকশোতে সাইফুল ইসলাম সোহেল ও চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে ‘চুরাশিয়ান’দের জমকালো মহামিলন ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ভারতে যাচ্ছে ময়না ২০ মে ১৯৭১: এক অভিশপ্ত সকাল এবং পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম চুকনগর গণহত্যা হাসপাতালে সড়কযোদ্ধা সোহানি: মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকনের সহমর্মিতা

ভালো বাবা-মা হওয়ার ৫ বৈশিষ্ট্য

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:২৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪
  • ৯০৪ Time View

ভালো বাবা-মা হওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে সন্তানের শারীরিক, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়তা করতে জানতে হয়। একজন ভালো মা কিংবা বাবা হওয়ার সংক্ষিপ্ত কোনো রাস্তা নেই। এটি জীবনব্যাপী প্রচেষ্টা, চ্যালেঞ্জ, আনন্দের একটি প্রক্রিয়া। যদিও নিখুঁত অভিভাবকত্বের জন্য কোনো সার্বজনীন সূত্র নেই, তবে কিছু বৈশিষ্ট্য এবং কাজ নির্দেশ করতে পারে যে আপনি সঠিক পথে আছেন। জেনে নিন ভালো বাবা-মায়ের কোন ৫টি বৈশিষ্ট্য থাকে-

নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং সমর্থন

ভালো মা-বাবা হওয়ার সবচেয়ে মৌলিক দিকগুলোর মধ্যে একটি হলো সন্তানকে নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং সমর্থন দেওয়া। এর অর্থ হলো সন্তানের অর্জন বা যোগ্যতার জন্য নয়, তাকে কোনো শর্ত ছাড়াই ভালোবাসা। তাদের মানসিকভাবে ভালো রাখা, তাদের যত্ন নেওয়া, পাশে থাকাই একজন ভালো অভিভাবকের কাজ। সন্তান সফল হোক কিংবা ব্যর্থ, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা যেন বদলে না যায়।

সন্তানের সব কথা মন দিয়ে শোনা

সব সম্পর্কের মতোই বাবা-মা ও সন্তানের সম্পর্কের মাঝেও শক্তিশালী যোগাযোগ থাকা চাই। অনেকের মধ্যেই এটি থাকে না। ভালো মা-বাবা সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং তাদের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং উদ্বেগকে গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেদের হৃদয়ে সন্তানের জন্য এমন একটি জায়গা রাখেন যেখানে সন্তান নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য থাকে। সন্তানের সঙ্গে সব সময় মন খুলে কথা বলার সুফল অনেক। এতে সন্তানের মধ্যে যোগাযোগ দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

সীমারেখা নির্ধারণ করতে জানা

ভালো মা-বাবা হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো সীমারেখা নির্ধারণ করতে জানা। সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে ঠিকই, পাশাপাশি মা-বাবার জন্য শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসাও থাকা চাই। এতে সন্তান জীবনে শৃঙ্খলার গুরুত্ব বুঝতে শিখবে। সন্তানকে তার বয়সের উপযোগী আচারণই শিক্ষা দিন। তাদের ভুল অভ্যাস গড়ে তুলবেন না। ভালো মা-বাবা কঠোর শাস্তির পরিবর্তে ইতিবাচক কিছু বেছে নেন। তারা তিরস্কারের বদলে পুরস্কার দিতে পছন্দ করেন।

Tag :
About Author Information

‘ফিরে যাই সূর্য দীঘল বাড়ি’ শিরোনামে কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও অভিধান প্রণেতা আবু ইসহাককে স্মরণ করে আলোচনা সভা

ভালো বাবা-মা হওয়ার ৫ বৈশিষ্ট্য

Update Time : ০৫:২৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর ২০২৪

ভালো বাবা-মা হওয়ার জন্য ধারাবাহিকভাবে সন্তানের শারীরিক, মানসিক এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে সহায়তা করতে জানতে হয়। একজন ভালো মা কিংবা বাবা হওয়ার সংক্ষিপ্ত কোনো রাস্তা নেই। এটি জীবনব্যাপী প্রচেষ্টা, চ্যালেঞ্জ, আনন্দের একটি প্রক্রিয়া। যদিও নিখুঁত অভিভাবকত্বের জন্য কোনো সার্বজনীন সূত্র নেই, তবে কিছু বৈশিষ্ট্য এবং কাজ নির্দেশ করতে পারে যে আপনি সঠিক পথে আছেন। জেনে নিন ভালো বাবা-মায়ের কোন ৫টি বৈশিষ্ট্য থাকে-

নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং সমর্থন

ভালো মা-বাবা হওয়ার সবচেয়ে মৌলিক দিকগুলোর মধ্যে একটি হলো সন্তানকে নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং সমর্থন দেওয়া। এর অর্থ হলো সন্তানের অর্জন বা যোগ্যতার জন্য নয়, তাকে কোনো শর্ত ছাড়াই ভালোবাসা। তাদের মানসিকভাবে ভালো রাখা, তাদের যত্ন নেওয়া, পাশে থাকাই একজন ভালো অভিভাবকের কাজ। সন্তান সফল হোক কিংবা ব্যর্থ, তার প্রতি আপনার ভালোবাসা যেন বদলে না যায়।

সন্তানের সব কথা মন দিয়ে শোনা

সব সম্পর্কের মতোই বাবা-মা ও সন্তানের সম্পর্কের মাঝেও শক্তিশালী যোগাযোগ থাকা চাই। অনেকের মধ্যেই এটি থাকে না। ভালো মা-বাবা সন্তানের কথা মন দিয়ে শোনেন এবং তাদের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং উদ্বেগকে গুরুত্ব দেয়। তারা নিজেদের হৃদয়ে সন্তানের জন্য এমন একটি জায়গা রাখেন যেখানে সন্তান নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য থাকে। সন্তানের সঙ্গে সব সময় মন খুলে কথা বলার সুফল অনেক। এতে সন্তানের মধ্যে যোগাযোগ দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়।

সীমারেখা নির্ধারণ করতে জানা

ভালো মা-বাবা হওয়ার আরেকটি লক্ষণ হলো সীমারেখা নির্ধারণ করতে জানা। সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে ঠিকই, পাশাপাশি মা-বাবার জন্য শ্রদ্ধাবোধ ও ভালোবাসাও থাকা চাই। এতে সন্তান জীবনে শৃঙ্খলার গুরুত্ব বুঝতে শিখবে। সন্তানকে তার বয়সের উপযোগী আচারণই শিক্ষা দিন। তাদের ভুল অভ্যাস গড়ে তুলবেন না। ভালো মা-বাবা কঠোর শাস্তির পরিবর্তে ইতিবাচক কিছু বেছে নেন। তারা তিরস্কারের বদলে পুরস্কার দিতে পছন্দ করেন।