অস্টেলিয়া ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
‘ফিরে যাই সূর্য দীঘল বাড়ি’ শিরোনামে কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও অভিধান প্রণেতা আবু ইসহাককে স্মরণ করে আলোচনা সভা অস্ট্রেলিয়ার রিলায়েবল কলেজ অব নার্সিং-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সাংবাদিক মোহাম্মাদ আবদুল মতিন সিডনিতে অনুষ্ঠিত হলো ‘NEXT25: A Muslim Youth Summit’: ব্যাপক সাড়া চ্যানেল আইয়ের ‘আমরাই বাংলাদেশ’ টকশোতে সাইফুল ইসলাম সোহেল ও চিত্রনায়ক ডিএ তায়েব জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ধনবাড়ী উপজেলা ইউনিটের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত নিউইয়র্কে ‘চুরাশিয়ান’দের জমকালো মহামিলন ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ভারতে যাচ্ছে ময়না ২০ মে ১৯৭১: এক অভিশপ্ত সকাল এবং পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম চুকনগর গণহত্যা হাসপাতালে সড়কযোদ্ধা সোহানি: মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকনের সহমর্মিতা

আর্থিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : বিবি গভর্নর

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৪৫৯ Time View

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আজ বলেছেন, বাংলাদেশ আর্থিক খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

তিনি বলেন,‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত অনেক এগিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এটা বলতেই হবে যে, আমাদের এ অর্জন সত্ত্বেও ব্যাংকিং খাত বা পুরো আর্থিক খাত আরো কিছুটা অগ্রসর হতে পারত,সেক্ষেত্রে অনেক ব্যর্থতা রয়েছে।’

রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,‘তবে, এ খাতের ব্যর্থতার জন্য কোনো একক গোষ্ঠী বা কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। আমরা সবাই হয়তো আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভিন্নভাবে এ খাতে (আর্থিক খাত) কাজ করেছি। আমরা সবাই হয়তো সততার সাথে কাজ করেছি। কোনো বিচ্যুতি ছিল কি না, এখন আমাদের এই আত্ম-বিশ্লেষণ করতে হবে।’

ড. মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলো কিছু অপ্রচলিত খাত, যেমন এসএমই ও নতুন খাত, যেমন জলবায়ু অর্থায়ন ও সবুজ অর্থায়নে তেমন আগ্রহী নয়। অনেক খাতের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই টাকা হস্তান্তর করা হচ্ছে না। যারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন, তারা এই খাতগুলো নিয়ে খুব একটা উৎসাহী নন বা ঝুঁকি নিতে চান না। এক্ষেত্রে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।’

অপ্রচলিত ও নতুন খাতে অর্থায়নে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মনসুর বিআইবিএমকে জলবায়ু অর্থায়ন, সবুজ অর্থায়ন,আর্থিক খাতের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মতো ব্যাংকিং সেক্টরের নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে বলেছেন।

ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খুবই প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিআইবিএম এ খাতে মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর্থিক খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিআইবিএমকে বিদেশী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য মনোযোগ দিতে বলেছেন এবং এভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার নাম ও খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে বলেছেন।

বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন- অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাশরুর আরেফিন, আয়োজক কমিটির সভাপতি ড. শাহ মো.আহসান হাবীব ও সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বিআইবিএম হল দেশের ব্যাংকিং খাতে সম্মিলিত মালিকানাধীন ব্যাংকিং ও ফিনান্স সংক্রান্ত জাতীয় প্রশিক্ষণ,গবেষণা,পরামর্শ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বছরের পর বছর ধরে,ইনস্টিটিউটটি তার ফোকাস প্রসারিত করেছে। এখন এটি ব্যাংকিং খাতে মধ্য ও সিনিয়র-স্তরের নির্বাহীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের প্রস্তাব দিচ্ছে, যা ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে নেতৃত্ব ও পরিচালনার ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ফিরে যাই সূর্য দীঘল বাড়ি’ শিরোনামে কথাসাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক ও অভিধান প্রণেতা আবু ইসহাককে স্মরণ করে আলোচনা সভা

আর্থিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে : বিবি গভর্নর

Update Time : ০৪:০৩:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর আজ বলেছেন, বাংলাদেশ আর্থিক খাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।

তিনি বলেন,‘বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত অনেক এগিয়েছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এটা বলতেই হবে যে, আমাদের এ অর্জন সত্ত্বেও ব্যাংকিং খাত বা পুরো আর্থিক খাত আরো কিছুটা অগ্রসর হতে পারত,সেক্ষেত্রে অনেক ব্যর্থতা রয়েছে।’

রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)-এর সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এ কথা বলেন।

তিনি বলেন,‘তবে, এ খাতের ব্যর্থতার জন্য কোনো একক গোষ্ঠী বা কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়। আমরা সবাই হয়তো আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভিন্নভাবে এ খাতে (আর্থিক খাত) কাজ করেছি। আমরা সবাই হয়তো সততার সাথে কাজ করেছি। কোনো বিচ্যুতি ছিল কি না, এখন আমাদের এই আত্ম-বিশ্লেষণ করতে হবে।’

ড. মনসুর বলেন, ব্যাংকগুলো কিছু অপ্রচলিত খাত, যেমন এসএমই ও নতুন খাত, যেমন জলবায়ু অর্থায়ন ও সবুজ অর্থায়নে তেমন আগ্রহী নয়। অনেক খাতের জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু সেই টাকা হস্তান্তর করা হচ্ছে না। যারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন, তারা এই খাতগুলো নিয়ে খুব একটা উৎসাহী নন বা ঝুঁকি নিতে চান না। এক্ষেত্রে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।’

অপ্রচলিত ও নতুন খাতে অর্থায়নে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আরও শক্তিশালী ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিআইবিএম গভর্নিং বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মনসুর বিআইবিএমকে জলবায়ু অর্থায়ন, সবুজ অর্থায়ন,আর্থিক খাতের উন্নয়ন ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মতো ব্যাংকিং সেক্টরের নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে বলেছেন।

ব্যাংকিং খাতের উন্নয়নে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান খুবই প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিআইবিএম এ খাতে মানবসম্পদ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ছাড়া আর্থিক খাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিআইবিএমকে বিদেশী শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার জন্য মনোযোগ দিতে বলেছেন এবং এভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার নাম ও খ্যাতি ছড়িয়ে দিতে বলেছেন।

বিআইবিএম-এর মহাপরিচালক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন- অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাশরুর আরেফিন, আয়োজক কমিটির সভাপতি ড. শাহ মো.আহসান হাবীব ও সদস্য সচিব ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

বিআইবিএম হল দেশের ব্যাংকিং খাতে সম্মিলিত মালিকানাধীন ব্যাংকিং ও ফিনান্স সংক্রান্ত জাতীয় প্রশিক্ষণ,গবেষণা,পরামর্শ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বছরের পর বছর ধরে,ইনস্টিটিউটটি তার ফোকাস প্রসারিত করেছে। এখন এটি ব্যাংকিং খাতে মধ্য ও সিনিয়র-স্তরের নির্বাহীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামের প্রস্তাব দিচ্ছে, যা ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে নেতৃত্ব ও পরিচালনার ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে।