অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) শাখার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) মেলবোর্নের অজি আড্ডা রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভিক্টোরিয়া বিএনপির আহ্বায়ক আরিফ খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব আশিক মালিক বিপুল।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসন-৩০৭-এর সদস্য বিলকিস ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এফএম তাওহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ম সম্পাদক পদমর্যাদা) মোহাম্মদ ফেরদৌস অমি।
এ ছাড়া বক্তব্য দেন ভিক্টোরিয়া বিএনপির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য খন্দকার হক মিলন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওমর ফারুক, আল আমিন মাসুম খান ও দেওয়ান মামুন, সদস্য রাশিদুল আমিন, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোশাররফ হোসেন রেহান, ভিক্টোরিয়া স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রহমত উল ইসলাম এবং সদস্য সচিব সাদমান অংকনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিলকিস ইসলাম ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান দিশেহারা জাতিকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিলেন। বাংলাদেশকে স্বনির্ভর, সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং গ্রামীণ উন্নয়নের নতুন ভিত্তি রচনায় তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এফএম তাওহীদুল ইসলাম জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বের একটি ঐতিহাসিক অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেন।
অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী তাঁর বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, রাজনৈতিক বিভাজন ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনা জাতীয় ঐক্য ও মুক্তচিন্তার শক্তি জোগায়। অস্ট্রেলিয়া বিএনপির ঘোষিত ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সফল করতে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অন্যান্য বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা দেশপ্রেম, সাহস এবং জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে অনুপ্রেরণা জোগায়। তাঁদের মতে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস কেবল একটি ঐতিহাসিক তারিখ নয়; বরং গণতন্ত্র, জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থানের প্রতীক।
সভাপতির বক্তব্যে আরিফ খান বাংলাদেশে ও প্রবাসে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আলোচনা সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
Reporter Name 








