অস্টেলিয়া ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
রিহ্যাব নির্বাচন: তাসনোভা মাহবুব সালামের নানা পরিকল্পনা ‘হৃদয়ে বাংলাদেশ’: সংলাপ, বিশ্লেষণ ও নতুন ভাবনায় অস্ট্রেলিয়া–বাংলাদেশ সম্পর্কের সেতুবন্ধন আওয়ামীলীগ এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় ১০১ সাংবাদিকের উদ্বেগ ঢাকাস্থ টাঙ্গাইল জেলা সাংবাদিক ফোরামের নতুন ক‌মি‌টি গঠন সভাপতি সাখাওয়াত হো‌সেন বাদশা, সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান খান নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজের আশ্বাস, মন্ত্রীর সাথে নিসচার প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ হামদর্দের নতুন পণ্য আমরূপালি কালোজিরা ম্যাংগো বার এবং আমরূপালি সুইট ম্যাংগো বারের লঞ্চিং অনুষ্ঠিত কুয়াকাটায় হামদর্দ ও হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকদের সমঝোতা স্বাক্ষর টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী স্কুলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন চলচ্চিত্রের নবজাগরণ: জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস ও আমাদের স্বপ্ন শিল্পী ইমরানের গানে মাতবে সিডনি

গাজায় ১৯ মাসে ১৭ হাজারের বেশি শিশু নিহত : জাতিসংঘ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ৫০৮ Time View
77

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইল ভূখণ্ডে আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলায় ১২শ’র ও বেশি ইসরাইলি নিহত হন। একইসঙ্গে ২৫০ ইসরাইলিকে আটক করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস সদস্যরা। একইদিন গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। টানা সাড়ে ১৯ মাসের এই হামলায় ৫৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তার মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র ওঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১৬ হাজার ৫শ’ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। এরমধ্যে এক বছরের কম বয়সি রয়েছে ৯১৬ জন। এক থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৩৬৫ জন। ছয় থেকে ১২ বছরের মধ্যে রয়েছে ৬ হাজার ১০১ জন। আর নিহতদের মধ্যে ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে ৫ হাজার ১২৪ জন।

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে বুধবার পশ্চিম তীরের জেনিনে শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে একটি বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ৩৫ জন রাষ্ট্রদূত, কনসাল এবং কূটনীতিকের প্রতিনিধিদল অবরুদ্ধ ক্যাম্পের কাছে পৌঁছালে ইসরাইলি সেনাবাহিনী নিয়ম লঙ্ঘন করে গুলি চালায়।

কূটনীতিকদের সফরের সময় এই ধরনের হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ইসরাইলের গুলিবর্ষণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন ইইউ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কলাস। এই ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গুলি ছোড়ার ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইতালিতে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে মেলোনি সরকার। এ ছাড়া এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে ফ্রান্স, কানাডা, জর্ডান, তুরস্ক। যদিও ইসরাইল বলেছে, তাদের সেনারা কূটনীতিকদের সরিয়ে দিতে ফাঁকা গুলি চালিয়েছিল।

এই আবহের মধ্যেই গাজা ভূখণ্ড সম্পূর্ণভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, চলমান সামরিক অভিযান শেষ হওয়া পর্যন্ত গাজার সব অঞ্চল থাকবে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে। এসময় নেতানিয়াহু চলমান যুদ্ধ বন্ধের জন্য কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেন। এরমধ্যে রয়েছে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, উপত্যকা থেকে সংগঠনটির সব নেতার বহিষ্কার এবং গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

রিহ্যাব নির্বাচন: তাসনোভা মাহবুব সালামের নানা পরিকল্পনা

গাজায় ১৯ মাসে ১৭ হাজারের বেশি শিশু নিহত : জাতিসংঘ

Update Time : ০২:২৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
77

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইল ভূখণ্ডে আকস্মিক হামলা চালায়। ওই হামলায় ১২শ’র ও বেশি ইসরাইলি নিহত হন। একইসঙ্গে ২৫০ ইসরাইলিকে আটক করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস সদস্যরা। একইদিন গাজায় পাল্টা হামলা শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। টানা সাড়ে ১৯ মাসের এই হামলায় ৫৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তার মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের এক প্রতিবেদনে এই চিত্র ওঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১৬ হাজার ৫শ’ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। এরমধ্যে এক বছরের কম বয়সি রয়েছে ৯১৬ জন। এক থেকে পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ৩৬৫ জন। ছয় থেকে ১২ বছরের মধ্যে রয়েছে ৬ হাজার ১০১ জন। আর নিহতদের মধ্যে ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে ৫ হাজার ১২৪ জন।

এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন।

অন্যদিকে বুধবার পশ্চিম তীরের জেনিনে শরণার্থী শিবিরের প্রবেশপথে একটি বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। ৩৫ জন রাষ্ট্রদূত, কনসাল এবং কূটনীতিকের প্রতিনিধিদল অবরুদ্ধ ক্যাম্পের কাছে পৌঁছালে ইসরাইলি সেনাবাহিনী নিয়ম লঙ্ঘন করে গুলি চালায়।

কূটনীতিকদের সফরের সময় এই ধরনের হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় উঠেছে। ইসরাইলের গুলিবর্ষণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছেন ইইউ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কলাস। এই ঘটনার তদন্ত এবং দায়ীদের জবাবদিহি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

গুলি ছোড়ার ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ইতালিতে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে মেলোনি সরকার। এ ছাড়া এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে ফ্রান্স, কানাডা, জর্ডান, তুরস্ক। যদিও ইসরাইল বলেছে, তাদের সেনারা কূটনীতিকদের সরিয়ে দিতে ফাঁকা গুলি চালিয়েছিল।

এই আবহের মধ্যেই গাজা ভূখণ্ড সম্পূর্ণভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি বলেছেন, চলমান সামরিক অভিযান শেষ হওয়া পর্যন্ত গাজার সব অঞ্চল থাকবে ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে। এসময় নেতানিয়াহু চলমান যুদ্ধ বন্ধের জন্য কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেন। এরমধ্যে রয়েছে, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, উপত্যকা থেকে সংগঠনটির সব নেতার বহিষ্কার এবং গাজা নিয়ে ট্রাম্পের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন।