অস্টেলিয়া ০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
নাগরিক মঞ্চের সমাবেশে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে কৃষক শ্রমিক পার্টির সমর্থন জাতীয় সাংবাদিক ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (জেএসএফবি)-এর ২০২৬-২৮ নির্বাচনে সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার সাধারণ সম্পাদক কে এম রুবেল কালিহাতীকে মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই- ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম ত্রয়োদশ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে সমর্থনের ঘোষণা শেরেবাংলার কেএসপি’র যুক্তরাষ্ট্রে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জর্জিয়া বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! ট্রাব আজীবন সম্মাননায় বশির আহমেদ, সৈয়দ আব্দুল হাদী ও জুয়েল আইচ চলচ্চিত্র নির্মাণে আবুল হোসেন মজুমদার মালদ্বীপে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেকআপের উচ্চতর প্রশিক্ষণে নেপালে মেহজাবিন সাবা শুরু হলো গুলশানে ৩ দিন ব্যাপী প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ২০ মরদেহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৯৪ Time View
7

লিবিয়ার ব্রেগা উপকূলে উদ্ধার হওয়া ২০ মরদেহের সবাই বাংলাদেশি হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, মরদেহগুলো পচন ধরায় নাগরিকত্ব শনাক্ত করা যায়নি।

সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে একটি নৌকা ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ওই নৌকায় অনেক বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর মরদেহ ভেসে আসে লিবিয়া উপকূলে। তবে ওই নৌকায় ঠিক কতজন বাংলাদেশি ছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রেগার ৪০ কিলোমিটার দূরের সাগর এলাকায় মরদেহগুলো ভেসে ওঠেছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট মরদেহগুলো বাংলাদেশিদের বলে আশঙ্কা করলেও কোনো তথ্য-প্রমাণ পায়নি। ঘটনাস্থল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের অধীন। সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী ব্রেগা তীরে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের মতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ ব্রেগা তীরে ভেসে এসেছে। উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক থাকার আশঙ্কার কথা বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরিক মঞ্চের সমাবেশে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে কৃষক শ্রমিক পার্টির সমর্থন

লিবিয়া উপকূলে ভেসে এলো ২০ মরদেহ

Update Time : ০১:২৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
7

লিবিয়ার ব্রেগা উপকূলে উদ্ধার হওয়া ২০ মরদেহের সবাই বাংলাদেশি হওয়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট। লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাত দিয়ে শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টায় ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে, মরদেহগুলো পচন ধরায় নাগরিকত্ব শনাক্ত করা যায়নি।

সূত্র জানায়, গত ২৪ জানুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে ভূমধ্যসাগর হয়ে একটি নৌকা ইতালির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ওই নৌকায় অনেক বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন। নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর মরদেহ ভেসে আসে লিবিয়া উপকূলে। তবে ওই নৌকায় ঠিক কতজন বাংলাদেশি ছিলেন, তা এখনো জানা যায়নি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ব্রেগার ৪০ কিলোমিটার দূরের সাগর এলাকায় মরদেহগুলো ভেসে ওঠেছে। লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট মরদেহগুলো বাংলাদেশিদের বলে আশঙ্কা করলেও কোনো তথ্য-প্রমাণ পায়নি। ঘটনাস্থল লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের অধীন। সেখানে যাওয়ার জন্য অনুমতি পাওয়ার অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের উপকূলবর্তী ব্রেগা তীরে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ দূতাবাস বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছে।

স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের মতে, অভিবাসনপ্রত্যাশীদের একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরে ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ ব্রেগা তীরে ভেসে এসেছে। উদ্ধার মরদেহগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক থাকার আশঙ্কার কথা বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

তবে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছে।