অস্টেলিয়া ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ভারতে যাচ্ছে ময়না ২০ মে ১৯৭১: এক অভিশপ্ত সকাল এবং পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম চুকনগর গণহত্যা হাসপাতালে সড়কযোদ্ধা সোহানি: মোহাম্মদ আলিম উল্লাহ খোকনের সহমর্মিতা সিডনির মিন্টোতে মানবিক উদ্যোগ : অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগেস্ট মর্নিং টি’ এর আয়োজন অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরিতে স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সমাজকর্মী মাসুম বিল্লাহ যানবাহন খাতের সম্ভাব্য রাজস্ব নিয়ে কিছু হিসাব:রাষ্ট্রের আয় বাড়ানোর বিকল্প পথ কি নেই? স্বাস্থ্য শিক্ষায় অবদানে ট্রাব অ্যাওয়ার্ড পেলেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত মালদ্বীপ প্রবাসী হাদিউল ইসলাম নায়িকা প্রিয় মনির ট্রাব কালচারাল অ্যাওয়ার্ড অর্জন

গাজায় ৫ বছরের যুদ্ধবিরতিতে হামাসের সম্মতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৯২ Time View

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ভ্যান চুরিতে দিশেহারা প্রতিবন্ধী মোশাররফের মুখে ফের হাসি ফুটালেন অধ্যাপক কামরুন নাহার হারুন

গাজায় ৫ বছরের যুদ্ধবিরতিতে হামাসের সম্মতি

Update Time : ০২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।