অস্টেলিয়া ১২:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
নাগরিক মঞ্চের সমাবেশে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে কৃষক শ্রমিক পার্টির সমর্থন জাতীয় সাংবাদিক ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ (জেএসএফবি)-এর ২০২৬-২৮ নির্বাচনে সভাপতি ফারুক হোসেন মজুমদার সাধারণ সম্পাদক কে এম রুবেল কালিহাতীকে মাদকমুক্ত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই- ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম ত্রয়োদশ নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে সমর্থনের ঘোষণা শেরেবাংলার কেএসপি’র যুক্তরাষ্ট্রে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জর্জিয়া বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত! ট্রাব আজীবন সম্মাননায় বশির আহমেদ, সৈয়দ আব্দুল হাদী ও জুয়েল আইচ চলচ্চিত্র নির্মাণে আবুল হোসেন মজুমদার মালদ্বীপে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মেকআপের উচ্চতর প্রশিক্ষণে নেপালে মেহজাবিন সাবা শুরু হলো গুলশানে ৩ দিন ব্যাপী প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

গাজায় ৫ বছরের যুদ্ধবিরতিতে হামাসের সম্মতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
  • ২০৭ Time View
7

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরিক মঞ্চের সমাবেশে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটকে কৃষক শ্রমিক পার্টির সমর্থন

গাজায় ৫ বছরের যুদ্ধবিরতিতে হামাসের সম্মতি

Update Time : ০২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
7

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় সব জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে ফিলিস্তিনি সংগঠন হামাস।

শনিবার (২৬ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হামাসের এক কর্মকর্তা জানান, ‘হামাস এখন এক ধাপেই সব বন্দি বিনিময় এবং পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তুত।’ আজ মিসরের রাজধানী কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল গাজায় ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়, যেখানে ১০ জীবিত জিম্মির মুক্তির শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু ১৭ এপ্রিল হামাস সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। হামাস শুরু থেকেই আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ও স্থায়ী সমাধানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

তারা দাবি করে, যে কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অবশ্যই গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যার অবসান, বন্দি বিনিময়, ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দুই পক্ষ তিন ধাপে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছিল। এর প্রথম ধাপ বাস্তবায়িত হয় ১৯ জানুয়ারি থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত। তবে ১৮ মার্চ থেকে গাজায় আবার ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা শুরু হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি আক্রমণে দুই হাজার ৬২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর প্রশাসন বলছে, পরবর্তী যে কোনো চুক্তিতে সব জিম্মির মুক্তির পাশাপাশি হামাসসহ গাজার অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। তবে হামাস এই দাবিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের মতে, দখলদারিত্ব ও শোষণের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ ফিলিস্তিনিদের জন্মগত অধিকার।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৫১ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।